
পনেরোটি বসন্ত, পনেরোটি অঞ্জলি
প্রতি বছর বসন্তের সকালে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ সেজে ওঠে হলুদ শাড়ি আর পলাশের রঙে। গত ১৫ বছর ধরে অবিচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে এই আয়োজন — বিদ্যার দেবীর আরাধনায় জড়ো হন শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক — সবাই।

অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর জয়
প্রতিটি প্রদীপ যেন একেকটা প্রতিজ্ঞা — অন্ধকার যতই গভীর হোক, আলো নিভবে না। দীপাবলির সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণ সেজে ওঠে ছোট ছোট আলোয়।
যত দূরেই যাই, ফিরে আসি এখানেই
বছর ঘুরে যখন পুরনো মুখগুলো আবার একসাথে হয়, তখন মনে হয় সময় যেন থেমে গেছে। পুনর্মিলনীর প্রতিটা সন্ধ্যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় — এই পরিবার কখনো ছোট হয় না, শুধু বড় হতে থাকে।

মাঠের আনন্দ, মনের বন্ধন
পূজার বাইরেও আমরা একসাথে থাকি — বন্ধুত্বপূর্ণ খেলাধুলা, ছোট ছোট প্রতিযোগিতা আর মাঠের হাসি-ঠাট্টায় আমাদের সম্পর্কগুলো আরও গভীর হয়।

একদিনের ছুটি, সারাজীবনের স্মৃতি
বছরের এই একটা দিনে পড়াশোনার চাপ ভুলে আমরা বেরিয়ে পড়ি — গান, খাবার, আড্ডা আর একরাশ হাসি নিয়ে ফিরে আসে প্রতিটি পিকনিক।











































